পরিশ্রমে ধন আনে,পূণ্যে আনে সূখ আলস্য দারিদ্র আনে, পাপে আনে দুখ।

সারাদিন ঘরে বসে থাকলাম, বিকাল হলে যখন বাজারে যাব তখনই বউ বলল, চাল, ডাল, তেল আনতে হবে। তখন মাথা খারাপ হয়ে গেল। বউয়ের উপর রাগ করে ঝগড়া ঝাটি করে বাজারের দিকে রওনা দিলাম। সেখানে গিয়ে একটা বেকুব সাজলাম। কাকে গিয়ে বলব বাকি দেবার জণ্য? কারণ কেউ তো আমাকে বাকী দিবে না। সবাই জানে আমি অলস,বেকার। আমাকে বাকী দিলে আর কখনো পরিশোধ করতে পারবো না।

দিলারা বেগমের চেষ্টায় বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পেল কিশোরী

এ চিন্তা থেকে প্রথমে তিনি সংরক্ষিত আসনে দাঁড়ালেন এবং জয়ী হলেন । এখন তিনি সমাজের অসহায় মানুয়ের পাশে দাড়িয়েছেন।তিনি যখনই শুনলেন কিশোরীমেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। সাথে সাথে তিনি তার বাড়িতে যান এবং তাদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। এক সময় তার পরিবার এবিষয়ে মানতে রাজি না হলেও তার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিষয়টি তার মানতে রাজি হল।

বিশ্বনাথের আকিল পুর গ্রামে গিয়ে জানা গেল, বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পাওয়া সেই কিশোরীর কথা। সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্তিত আসনের সদস্য দিলারা বেগম ও স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যাক্তি বগের্র সহায়তায় বন্ধ হল কিশোর মেয়ের বিয়ে। কৌতুহল বশত: জানতে ছা্িলিাম কিভাবে এ বিয়ে বন্ধ করলেন আপনি। তিনি বললেন, আমি অপরাজিতা প্রজেক্টের একজন সদস্য হিসাবে আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ কাজ করে আসছি। সদস্্য হিসাবে আমি প্রতি নিয়ত মিটিং এ যেতাম। মিটিং আমার খুবই ভাল লাগত। মিটিং এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন। সমাজের অসহায় মানুরেষর পাশে দাঁড়ানো, অধিকার বঞ্চিত লোকজনের হয়ে কাজ করে।সমাজের বিভিন্ন মিটিং এ অংশগ্রহণ করা। বিষেশ করে সরকারের বিভিন্ন কাঠামোতে অংশগ্রহণ করে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের হয়ে কাজ করা।

বিষয়টি যখন দিলারা বেগম বললেন, তখন তার মুখে হাসির ভাব ফুটে উটল।

লুম বাছিলে কম্বল খালি

গ্রাম্য ভাষায় একটি কথা আছে, ‘লুম বাছিলে কম্বল খালি’ একথাটি এ মর্ম বললাম বর্তমানে যে ভাবে আওয়ামীলীগের মধ্যে থাকা কু প্রকৃতির লোকজন কে ধরা শুরু হচ্ছে। েএভাবে ধরতে শুরু করলে এক সময় আওয়ামীলীগে কোন লোক থাকবে বলে মনে হয় না।যে ভাবে পত্র পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে বড় বড় নেতাদের আশ্রয়ে আশ্র্রিত হয়ে চোট নেতাগন টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। সেই টাকা আজ আবার উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।এভাবে যদি টাকা নেয়া শুরু করেন তাহলে কোন নেতার অস্থিত্ব খঁজে পাওয়া যাবে না।

কারন কি জানেন, একজন তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে হাইব্রিড নেতা পর্যন্ত সকলেই টাকার ধান্ধায় আছে।একটু খোজ নিয়ে দেখেন, যার বাড়িতে খাবার চাল পর্যন্ত ছিলনা আজ হতে 10 বছর আগে।এখন সে বড় ব্যবসায়ী, বাড়ী, গাড়ী, নারী সব কিছুই তার। সে এখন গোটা এলাকায় আধিপত্য স্থাপন করে বসে আছে।

Nutrition & Food(পুষ্টিও খাদ্য)

খাদ্য: যে সকল দ্রব্য আহার করলে আমাদের শরিরের ক্ষয় পূরন, পুষ্টি সাধন ওবৃদ্ধি পায়, তাপ ও শক্তি উৎপাদিত হয় এবং রোগ প্রতিরোধক শক্তি প্রভৃতিতে সহায়তা করে তাকে খাদ্য বলে।

খাদ্যের শ্রেণী বিভাগ: খাদ্যের উপাদান বা শ্রেণী বিভাগ ছয় প্রকার:

ক. আমিষ জাতীয় খাদ্য খ. শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য গ. চবির্ জাতীয় খাদ্য ঘ লবন জাতীয় খাদ্য ঘ. পানি ঙ. খাদ্য প্রাণ বা ভিটামিন

আমিষ জাতীয় বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের উপাদান সমুহ

মাংস, মাছ, ছানা, দুধ, বাদাম প্রভৃতি

শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য

ভাত, ‍রুটি, পাউরুটি, চিনি, গুড়

স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান

ঘৃত, মখিন, তৈল

লবন জাতীয খাদ্যর উপাদান: খাদ্য লবন, ফসফরাস, ক্লোরিণ, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম

পানিঃ পানি জাতীয় খাদ্য

খাদ্য প্রাণ বা ভিটামিন: ভিটামিন এ, বি, সি, ডি ই

ভিটামিনের অভাবে যে সব রোগ হয় হতে পারেঃ-

ভিটামিন এ এর অভাবে চক্ষু রোগ,

View Post